Food & Cooking

পশ্চিমবঙ্গ, ভারত এবং বাংলাদেশের রন্ধনপ্রণালী তাদের ভৌগলিক নৈকট্য এবং ঐতিহাসিক সংযোগের কারণে অনেক মিল রয়েছে। এখানে এই অঞ্চলগুলির রন্ধনসম্পর্কীয় আনন্দগুলির একটি ঝলক দেওয়া হল:

পশ্চিমবঙ্গ:

  1. মাছ: উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় বাঙালি খাবারে মাছ একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। ইলিশ, রোহু, কাতলা এবং পাবদা হল কিছু জনপ্রিয় মাছের জাত যা বিভিন্ন প্রস্তুতিতে খাওয়া হয় যেমন ঝোল (তরকারি), ভাপা (ভাজা), এবং দোই মাছ (দইয়ের গ্রেভিতে রান্না করা মাছ)।
  2. ভাত: ভাত হল পশ্চিমবঙ্গের প্রধান খাদ্য এবং প্রায়ই বিভিন্ন অনুষঙ্গ যেমন ডাল (মসুর), শাকসবজি, মাছ এবং মাংসের খাবারের সাথে পরিবেশন করা হয়।
  3. নিরামিষ খাবার: যদিও মাছ এবং মাংসের প্রতি ভালবাসার জন্য পরিচিত, বাঙালি রন্ধনপ্রণালী এছাড়াও বিভিন্ন নিরামিষ খাবার যেমন শুকতো (হালকা গ্রেভিতে রান্না করা মিশ্র শাকসবজি), আলু পোস্তো (পোস্তের বীজ দিয়ে রান্না করা আলু), এবং ছোলার ডালের মতো বিভিন্ন ধরনের নিরামিষ খাবারের গর্ব করে। (বাংলা ছোলার ডাল)।
  4. মিষ্টি: বাংলা মিষ্টি, বা “মিষ্টি,” তাদের অনন্য স্বাদ এবং টেক্সচারের জন্য বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত। রসগুল্লা, সন্দেশ, মিষ্টি দই এবং রসগোল্লা হল কিছু সুপরিচিত মিষ্টি যা বাঙালি খাবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

বাংলাদেশ:

  1. ভাত এবং মাছ: পশ্চিমবঙ্গের মতই, ভাত এবং মাছ বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য। মাছ বিভিন্ন উপায়ে প্রস্তুত করা হয় যেমন তরকারি, ভর্তা (ম্যাশ করা), এবং ভাপা (ভাপানো)।
  2. মাংসের খাবার: গরুর মাংস, মাটন এবং মুরগির মাংস সাধারণত বাংলাদেশে খাওয়া হয়। বিরিয়ানি, কোরমা এবং কাবাবের মতো খাবার মাংসপ্রেমীদের মধ্যে জনপ্রিয়।
  3. নিরামিষ রন্ধনপ্রণালী: যদিও মাংসের খাবারের প্রচলন রয়েছে, বাংলাদেশেও বিভিন্ন ধরনের নিরামিষ খাবার যেমন মিশ্র উদ্ভিজ্জ তরকারি, মসুর ডাল (ডাল) এবং বেগুন, আলু এবং পালংশাকের বিভিন্ন প্রস্তুতি রয়েছে।
  4. মিষ্টি: বাংলাদেশী মিষ্টিও সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যময়। কিছু জনপ্রিয় হল রসগোল্লা, চাম চাম, পিঠা (ভাতের কেক), এবং হালুয়া।

উভয় অঞ্চলই সুগন্ধি মশলা যেমন জিরা, ধনে, সরিষা এবং মেথির প্রতি ভালবাসা ভাগ করে নেয়, যা তাদের রন্ধনপ্রণালীকে তাদের স্বতন্ত্র স্বাদ দেয়। উপরন্তু, মুঘলাই রন্ধনপ্রণালীর প্রভাব, সেইসাথে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক প্রভাব, বাংলা এবং বাংলাদেশী উভয় রন্ধন ঐতিহ্যের মধ্যে লক্ষ্য করা যায়।

গরম আসলেই আইসক্রিম এর চাহিদা বেড়ে যায়। বাজারে পাওয়া যায় বাহারি ফ্লেভারের আইসক্রিম। এই  সময়টাতে যেকোনো বয়সের মানুষ কাছেই আইসক্রিম বেশ আবেদন তৈরি করে৷ কেমন হবে যদি গরমে আইসক্রিম আপনার তৃষ্ণা মিটায় এবং একই সাথে শরীরের জন্যও উপকারী হয়? অবশ্যই চমৎকার হবে।  আজকে আমরা দেখতে চলেছি কীভাবে এই গরমে আপনি ঘরে বসে তৈরি করবেন ডাবের আইসক্রিম। 

The cuisines of West Bengal, India, and Bangladesh share many similarities due to their geographical proximity and historical connections. Here’s a glimpse into the culinary delights of these regions:

West Bengal:

  1. Fish: Being a coastal region, fish plays a significant role in Bengali cuisine. Hilsa, Rohu, Katla, and Pabda are some popular fish varieties consumed in various preparations such as jhol (curry), bhapa (steamed), and doi maach (fish cooked in yogurt gravy).
  2. Rice: Rice is the staple food of West Bengal and is often served with various accompaniments like dal (lentils), vegetables, fish, and meat dishes.
  3. Vegetarian Dishes: Although known for its love for fish and meat, Bengali cuisine also boasts a variety of vegetarian dishes such as shukto (mixed vegetables cooked in a light gravy), aloo posto (potatoes cooked with poppy seeds), and chholar dal (Bengal gram dal).
  4. Sweets: Bengali sweets, or “mishti,” are famous worldwide for their unique flavors and textures. Rasgulla, Sandesh, Mishti Doi, and Rosogolla are some well-known sweets that are an integral part of Bengali cuisine.

Bangladesh:

  1. Rice and Fish: Similar to West Bengal, rice and fish are staple foods in Bangladesh. Fish is prepared in various ways such as curry, bharta (mashed), and bhapa (steamed).
  2. Meat Dishes: Beef, mutton, and chicken are commonly consumed meats in Bangladesh. Dishes like biryani, korma, and kebabs are popular among meat lovers.
  3. Vegetarian Cuisine: Although meat dishes are prevalent, Bangladesh also offers a variety of vegetarian dishes such as mixed vegetable curries, lentil soups (dal), and various preparations of eggplant, potatoes, and spinach.
  4. Sweets: Bangladeshi sweets are also rich and diverse. Some popular ones include Roshogolla, Cham Cham, Pitha (rice cakes), and Halwa.

Both regions share a love for aromatic spices such as cumin, coriander, mustard, and fenugreek, which lend their cuisines their distinctive flavors. Additionally, influences from Mughlai cuisine, as well as British colonial influences, can be observed in both Bengali and Bangladeshi culinary traditions.

গরমের সময় ডাবের জল মানব শরীরের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে। ত্বকের আর্দ্রতা বৃদ্ধি করতে পারে ডাবের জল। একই সাথে এটি গরমে আমাদের শরীর থেকে যে পরিমাণ পানি বের হয়ে যায় সেটা পূরণে সাহায্য করতে পারে। 

উপকরণ 

ডাবের আইসক্রিম তৈরি করতে আমাদের লাগবে, এক কাপ হুইপড ক্রিম, দুই কাপ ডাবের জল, তিন থেকে চারটি ডাবের শাঁস, দুই টেবিল চামচ গুড়া চিনি, আধা কাপ কনডেন্সড মিল্ক। 

Photo Credit 1 https://www.flickr.com/photos/kobetsai/8370105445

কার্যপ্রণালী 

সর্বপ্রথম হুইপড ক্রিমটি ভাল ভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। ক্রিম ফেটানোর জন্য হ্যান্ড ব্লেন্ডার ব্যবহার করতে পারেন। ডাবের শাঁস কিছুটা আলাদা রেখে বাকিটা ডাবের পানির সাথে ভাল করে ব্লেন্ড করুন। 

ফেটানো ক্রিমটিতে চিনি এবং কনডেন্সড মিল্ক মেশান। এর পর এটির সাথে ডাবের পানি ও শাঁসের মিশ্রণটি মিশিয়ে দিন। 

আগে রেখে দেওয়া শাঁস গুলো কুচি করে এই মিশ্রণে দিয়ে দিন। এবার পুরো মিশ্রণটি কোন ঢাকনা সহ বাটি দিয়ে ঢেকে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। পুরো আইস ক্রিমটি জমে গেলে ফ্রিজ থেকে বের করে পরিবেশন করুন। 

ব্যাস তৈরি হয়ে গেল মজাদার এই গরমে উপকারী ডাবের আইসক্রিম। 

দই পনির যদি আপনি পছন্দ করেন তাহলে এই রেসিপিটি আপনার জন্য। দই পনির এমন একটি খাবার যা আপনি ভাত, লুচি, এমনকি পোলাও এর সাথে খেতে পারেন। আর নিরামিষ এই দই পনির খেতেও দারুণ লাগে। 

চলুন দেখে নেয়া যাক সুস্বাদু দই পনিরের রেসিপি,

উপকরণ 

উপকরণ হিসেবে আমাদের লাগবে, হাফ বাটি মোটা করে কাটা পনির, এক কাপ দই, পাঁচ থেকে ছয়টা কাজু বাদাম,  চার পাঁচটা ছোট এলাচ, কাসুরি মেথি দুই চামচ, দুই চামচ ঘি, সাদা তেল দুই চামচ এবং স্বাদ মতো লবণ চিনি।

Photo Credit 1 https://www.wallpaperflare.com/cheese-on-bread-curd-sandwich-food-gourmet-snack-freshness-wallpaper-amcte/download/1920×1080

কার্যপ্রণালী

নিরামিষ দই পনির তৈরি করতে সর্বপ্রথম এক কাপ দই থেকে, হাফ কাপ দইয়ে সামান্য লবণ এবং চিনি দিয়ে ভাল করে ফেটিয়ে নিতে হবে। এর পর পনির গুলো দই এর মধ্যে দশ থেকে পনেরো মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। 

এর পরের কাজ হচ্ছে দুইটা কাচা লঙ্কা, কাজুবাদাম, ছোট এলাচ ও দুই/তিন চামচ দই দিয়ে পেস্ট তৈরি করা। এবার কড়াই গরম করে তাতে তেল এবং এক চামচ ঘি দিয়ে পেস্ট করা মসলাটি কষিয়ে নিতে হবে। 

ভাল মতো কষানোর পর স্বাদ মতো লবণ ও চিনি দিয়ে, আঁচ কমিয়ে এতে দই ও পনির দিয়ে চার থেকে পাঁচ মিনিট নাড়তে হবে। 

রেখে দেয়া বাকি হাফ কাপ দই ভাল করে ব্লেন্ড করে এতে হাফ কাপ জল দিয়ে কড়াইয়ে ঢেলে দিতে হবে। এবার তা কম আঁচে ফুটাতে হবে। 

ঝোল শুকিয়ে এলে এতে ঘি এবং কাঁচা লঙ্গা কুচি দিয়ে পরিবেশন করে ফেলুন মজাদার দই পনির

Spread the love
Share this:

Add Comment