Health & Beauty

চর্বি হারানো এবং স্লিম হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম এবং জীবনধারা পরিবর্তনের সংমিশ্রণ জড়িত। আপনার শরীর থেকে চর্বি কাটতে এবং একটি পাতলা শরীর অর্জনে সহায়তা করার জন্য এখানে কিছু টিপস রয়েছে:

  1. একটি ক্যালোরি ঘাটতি তৈরি করুন: চর্বি কমানোর জন্য, আপনার পোড়ানোর চেয়ে কম ক্যালোরি গ্রহণ করতে হবে। আপনার দৈনিক ক্যালোরির চাহিদা গণনা করুন এবং ক্যালোরির ঘাটতি তৈরি করতে তার চেয়ে সামান্য কম ক্যালোরি গ্রহণ করার লক্ষ্য রাখুন। যাইহোক, নিশ্চিত করুন যে আপনার ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ মারাত্মকভাবে হ্রাস করবেন না, কারণ এটি আপনার বিপাককে ধীর করে দিতে পারে এবং পেশী ক্ষয় হতে পারে।
  2. পুষ্টিকর-ঘন খাবার খান: সম্পূর্ণ, পুষ্টি-ঘন খাবার যেমন ফল, শাকসবজি, চর্বিহীন প্রোটিন, গোটা শস্য এবং স্বাস্থ্যকর চর্বি খাওয়ার দিকে মনোযোগ দিন। এই খাবারগুলি কেবলমাত্র কম ক্যালোরিই নয় বরং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে।
  3. নিয়ন্ত্রণের অংশ: অতিরিক্ত খাওয়া এড়াতে অংশের আকার সম্পর্কে সচেতন হন। অংশের আকার নিয়ন্ত্রণ করতে এবং অতিরিক্ত খরচ রোধ করতে ছোট প্লেট, বাটি এবং পাত্র ব্যবহার করুন।
  4. প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চিনিযুক্ত পানীয় সীমিত করুন: প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং চিনিযুক্ত পানীয়গুলিতে প্রায়শই উচ্চ ক্যালোরি, অস্বাস্থ্যকর চর্বি এবং যুক্ত শর্করা থাকে, যা ওজন বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে। এই খাবারগুলি আপনার গ্রহণ সীমিত করুন এবং স্বাস্থ্যকর বিকল্পগুলি বেছে নিন।
  5. হাইড্রেটেড থাকুন: সারাদিন প্রচুর পানি পান করুন। কখনও কখনও, ক্ষুধার অনুভূতি আসলে ছদ্মবেশে তৃষ্ণা হতে পারে। পানীয় জল আপনাকে হাইড্রেটেড থাকতে সাহায্য করতে পারে এবং ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
  6. শক্তি প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করুন: আপনার ব্যায়ামের রুটিনে শক্তি প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করা পেশী ভর তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে, যা আপনার বিপাককে বাড়িয়ে তোলে এবং এমনকি বিশ্রামেও আপনাকে আরও ক্যালোরি পোড়াতে সহায়তা করে।
  7. কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম: আপনার রুটিনে হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা বা নাচের মতো কার্ডিওভাসকুলার ব্যায়াম অন্তর্ভুক্ত করুন এবং আপনার সামগ্রিক ফিটনেস উন্নত করতে সাহায্য করুন।
  8. পর্যাপ্ত ঘুম পান: প্রতি রাতে 7-9 ঘন্টা মানসম্পন্ন ঘুমের লক্ষ্য রাখুন। খারাপ ঘুম হরমোনের মাত্রা ব্যাহত করতে পারে, যার ফলে ক্ষুধা বেড়ে যায় এবং অস্বাস্থ্যকর খাবারের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বেড়ে যায়।
  9. স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করুন: দীর্ঘস্থায়ী চাপ অতিরিক্ত খাওয়া এবং ওজন বৃদ্ধি হতে পারে। মানসিক চাপ কমানোর কৌশলগুলি অনুশীলন করুন যেমন ধ্যান, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, যোগব্যায়াম বা প্রকৃতিতে সময় কাটাতে স্ট্রেস লেভেল পরিচালনা করতে সাহায্য করুন।
  10. ধৈর্য ধরুন এবং সামঞ্জস্য রাখুন: মনে রাখবেন যে চর্বি হারাতে সময় এবং ধারাবাহিকতা লাগে। স্বাস্থ্যকর জীবনধারার পরিবর্তনগুলি করার দিকে মনোনিবেশ করুন যা আপনি দ্রুত সংশোধন করার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদে বজায় রাখতে পারেন।

একজন স্বাস্থ্যসেবা পেশাদার বা একজন নিবন্ধিত খাদ্য বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করা আপনার ওজন কমানোর যাত্রায় ব্যক্তিগত নির্দেশিকা এবং সহায়তা প্রদান করতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। খুবই পরিচিত এবং অস্বস্তিকর একটি রোগ। পায়খানা কষা বা শক্ত হওয়াকে আমরা কোষ্ঠকাঠিন্য বলে জেনে থাকি। বেশি বেশি বাইরের খাবার,  তৈলাক্ত খাবার, মশলা জাতীয় খাবার খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য এর মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।  কোষ্ঠকাঠিন্য হবার অন্যতম আরেকটা কারণ হচ্ছে পানি কম খাওয়া। কোষ্ঠকাঠিন্যকে স্বাভাবিক রোগ মনে করলেও দীর্ঘ দিন অবহেলা করলে এটি বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। আর তাই আর অবহেলা নয়, কেন এবং কী কারণে এই কোষ্ঠকাঠিন্য হয়, প্রতিকারের উপায় আপনাকে জানতে হবে।  আজকের এই আর্টিকেলে আমরা কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে বিস্তারিত জানাব।

কেন কোষ্ঠকাঠিন্য হয় 

মানুষের গ্রহণ করা খাবারের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণ আঁশ থাকতে হয়, যদি মানুষের পর্যাপ্ত আঁশ জাতীয় খাবার না খায় তাহলে বৃহদান্ত্র, খাবার থেকে পানি শোষণ করে নেয় ফলে মল শক্ত হয়ে যায়।  আমাদের প্রচুর পরিমাণে আঁশ সমৃদ্ধ শাক সবজি ও ফল খাওয়া উচিৎ। তাছাড়া তৈলাক্ত খাবার অবশ্যই বর্জন করা উচিৎ । কোষ্ঠকাঠিন্য হবার আরও কয়েকটা কারণের মধ্যে আছে পর্যাপ্ত পানি পান না করা, কায়িক পরিশ্রম না করা, ইত্যাদি। তাছাড়া ব্যথা নাশক ওষুধ খেলেও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। 

Photo Credit 1 https://www.pexels.com/photo/young-man-in-sleepwear-suffering-from-headache-in-morning-3771115/

কোষ্ঠকাঠিন্যের লক্ষ্মণ কী? 

কীভাবে বুঝবেন আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য হয়েছে? আসলে কিছু লক্ষ্মণ আপনার শরীরে দেখা দিলে সহজেই বুঝে যেতে পারবেন আপনি কোষ্ঠকাঠিন্যে আক্রান্ত কিনা। লক্ষ্মণ গুলো হল,

  • পায়খানা পরিষ্কার না হওয়া
  • পায়খানা কর‍তে কষ্ট হওয়া
  • বমি বমি ভাব হওয়া
  • পেটে ব্যথা হওয়া 
  • তিন থেকে চার দিন পায়খানা না হওয়া 

প্রতিকার

কোষ্ঠকাঠিন্য হয়ে গেলে কীভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন সেটা এই পর্যায়ে আমরা আলোচনা করব।  কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে পরিত্রাণ পেতে মূলত আপনাকে সেই সমস্ত কাজ এড়িয়ে চলতে হবে যা কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার জন্য দায়ী। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় গুলো হল,

বেশি করে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া

আপনাকে এমন খাবার খেতে হবে যেগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ রয়েছে। সবুজ শাকসবজি,  ফলমূলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। সুতরাং আপনাকে এই জাতীয় খাবার বেশি বেশি খেতে হবে। তবে অভিজ্ঞরা পরামর্শ দেয় হুট করে খাবারে ফাইবার বাড়ানো উচিৎ না। আপনাকে আস্তে আস্তে ফাইবার জাতীয় খাবারের পরিমাণ বাড়াতে হবে। 

           

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন

প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি আপনাকে অনেক রোগের হাত থেকে বাঁচাতে পারে।  কোষ্ঠকাঠিন্যের অন্যতম কারণ পর্যাপ্ত পানি না পান করা৷ তাই আপনি যখন কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় ভোগবেন তখন নিশ্চিত করুন দৈনিক পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করছেন কিনা।

আপনার দৈনিক অন্তত দুই লিটারের মত পানি পান করা উচিৎ। আরেকটা বিষয় খেয়াল রাখবেন, যখন আপনি ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া শুরু করবেন তখন থেকে পানিও পর্যাপ্ত পরিমাণ পান করুন। আঁশ সমৃদ্ধ খাবার খেয়ে পানি কম খেলে শরীরে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।  

Photo Credit 2 https://www.pexels.com/photo/an-elderly-man-sitting-in-a-couch-holding-a-pulse-oximeter-8376252/

শারীরিক পরিশ্রম করুন 

অলস জীবন যাত্রা আপনার বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। তাই প্রতিদিন কিছু সময় শরীরচর্চা করুন। খেলাধুলা করতে পারেন, সাইকেল চালাতে পারেন, জিমে যেতে পারেন। নিয়ম করে নিজের শরীরকে কর্মক্ষম রাখলে এটি অনেক রোগের হাত থেকে আপনাকে নিরাপদ রাখতে পারে। 

পায়খানা চেপে না রাখা 

আমাদের অনেকের মধ্যে এই বদ অভ্যাসটি থাকতে পারে। এতে করে কোষ্ঠকাঠিন্য হবার পাশাপাশি আমাদের কিডনি পর্যন্ত অচল হয়ে যেতে পারে। পায়খানা আসলে যত দ্রুত সম্ভব টয়লেটে চলে যান। 

আপনি কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগলে ঘরোয়া উপায়ে এর সমাধান না হলে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এই রোগকে নিয়ে একদম অবহেলা করলে চলবে না। কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে অবহেলা করলে পাইলস,  এনাল ফিসার বা গেজ রোগ এর কত কঠিন রোগে আপনি আক্রান্ত হতে পারেন।

জীবনে চলতে চলতে আমরা শিশু থেকে কৈশোরে প্রবেশ করি, আসে যৌবন সব কিছু রঙ্গিন এবং একটা সময় যৌবনও চলে যায়। এটা চিরন্তন সত্য আপনি সব সময় এক রকম থাকবেন না৷ প্রকৃতির নিয়মকে আপনার মানতেই হবে৷ তাই বলে নিজের যত্ন করবেন না এটা একদমই হতে পারে না। বার্ধক্য আসবেই তবে সেটা যেন আপনার ভুলে, সময়ের আগেই না চলে আসে। 

কেউ কেউ পঁয়তাল্লিশে বুড়িয়ে যান আবার কাউকে দেখা যায় সত্তর বছর বয়সেও দারুণ ফিট। এর কারণ কী? এর কারণ হচ্ছে নিয়মমাফিক জীবন যাপন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস। এটা ঠিক যে সবার শারীরিক গঠন এক নয় তবে কিছু বিষয় মেনে চললে আপনিও আপনার যৌবনকে দীর্ঘদিন ধরে রাখতে পারবেন সর্বোপরি সুস্থ জীবন যাপন করতে পারবেন। 

Photo Credit 1 https://www.pexels.com/photo/person-holding-a-stress-ball-339620/

আমাদের বেশ কিছু বদভ্যাস আছে যেগুলোর জন্য আমরা দ্রুত আমাদের দেহকে দুর্বল হয়ে পড়তে দেখি যেমন, ত্বকে বলিরেখা, স্মৃতি শক্তি কমে যাওয়া, ক্লান্তি লাগা এবং পেশি ক্ষয় হওয়া ইত্যাদি৷ এই সব কিছু কিন্তু বার্ধক্যের লক্ষ্মণ। আপনার মধ্যেও যদি এই সব লক্ষ্মণ দেখা দেয় তাহলে ভয় পাওয়ার কারণ নেই, এখনো সময় আছে সেই বদভ্যাস গুলো ত্যাগ করুন। 

চলুন জেনে নেয়া যাক কোন অভ্যাস গুলো আপনার ক্ষতির কারণ হচ্ছে,

অলস জীবন যাপন

অলস জীবনযাপন আপনার বহু রোগের প্রধান কারণ হতে পারে। সারাদিন শুয়ে বসে থাকা, কায়িক পরিশ্রম না করা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। শুধু শুয়ে বসে থাকা নয়, আপনি যদি দীর্ঘ সময় বসে অফিসেও কাজ করেন সেটাও সমান ভাবে আপনার শারীরিক সমস্যার জন্য দায়ী। দৈনিক কিছু সময় শারীরিক ভাবে পরিশ্রম করার চেষ্টা করুন। দীর্ঘ সময় বসে থাকার ফলে আপনার দেহের রক্ত চলাচল বিঘ্নিত হতে পারে ফলে বিভিন্ন রোগের সূচনা হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, ওজন বেড়ে যাওয়া এবং শরীরের আসতে পারে বয়সের ছাপ। 

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস 

দেহের চালিকা শক্তি হচ্ছে খাদ্য। খাদ্য ছাড়া যেমন সুস্থ দেহ সম্ভব নয় তেমনি অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও আপনার দেহের ক্ষতির কারণ। সুস্থ সুন্দর ভাবে বাঁচতে হলে খাদ্য হতে হবে পুষ্টিকর এবং পরিমিত৷ আমাদের খাদ্যাভ্যাস আমাদের বয়সকে ব্যাপক ভাবে প্রভাবিত করে। সময়ের আগেই আপনি বার্ধক্যে পা দিয়ে দিতে পারেন যদি অপরিকল্পিত ভাবে অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করেন।

চিনিযুক্ত খাবার বেশি খেলে সেটা আমাদের ত্বক তথা পুরো শরীরকে দুর্বল করে দিতে পারে। ত্বকে পড়ে বলিরেখা এবং ত্বক হারায় লাবণ্য। ডায়াবেটিস এর মত রোগের কারণ হিসেবে অনেকে চিনিকে দায়ী করে থাকে। 

শুধু চিনি নয় অ্যালকোহল জাতীয় খাবার,  ফাস্ট ফুড, প্রক্রিয়াজাত মাংস আপনার দেহের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। এসব খাবার এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। পুরোপুরি এড়াতে না পারলেও,  খাবার মাত্রা আস্তে আস্তে কমিয়ে আনুন।

গোমড়া মুখে থাকা

অনেকের কাছে অবাক লাগতে পারে, দ্রুত বার্ধক্যের কারণ হিসেবে গোমড়া মুখে থাকা কীভাবে দায়ী? এর পেছনে যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য এর প্রতিও ভাল ভাবে নজর দিতে হয়৷ তাছাড়া আপনি মানসিক ভাবে সুস্থ না থাকলে কখনো স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারবেন না। 

Photo Credit 2 https://www.pexels.com/photo/flat-lay-photography-of-vegetable-salad-on-plate-1640777/

মানুষ যখন ডিপ্রেশনে থাকে তখন তার ক্ষেত্রে দুটি ঘটনা ঘটতে পারে, কখনো কখনো সে ডিপ্রেশনে পড়ে বেশি খাওয়া দাওয়া করে আবার কখনো কখনো খাওয়া দাওয়া কমিয়ে দেয়। এই দুইটি অবস্থাই শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 

গোমড়া মুখে না থেকে, সবার সাথে ভাল ব্যবহার করুন, হাসুন, ঘুরতে যান, প্রকৃতিকে উপভোগ করুন। মানুষ যখন হাসে তখন দেহ থেকে বিশেষ এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয় যা মানসিক চাপ দূর করতে পারে।

পর্যাপ্ত না ঘুমানো 

ঘুম মানব দেহের অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি ক্রিয়া। সুস্থ স্বাভাবিক জীবনের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত্যাবশ্যক। আপনি সঠিক ভাবে না ঘুমালে কোন কাজে মনোযোগ দিতে পারবেন না, খাওয়ার রুচি কমে যাবে, অস্থির লাগবে। একজন সুস্থ  প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। কম ঘুমালে শারীরিক ভাবে যেমন আপনি অসুস্থ হয়ে পড়বেন তেমনি ত্বকেও দ্রুত দেখা যাবে বয়সের চাপ। 

সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার জন্য নিময় মাফিক জীবনযাত্রার বিকল্প নেই। পরিমিত খাওয়া দাওয়া করুন, পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান, দৈনিক শারীরিক পরিশ্রম করুন বা জিমে যান, আশা করা যায় দীর্ঘদিন সুস্থ সুন্দর থাকবেন ও তারুণ্য ধরে রাখতে পারবেন। 

Spread the love
Share this:

Add Comment